নেইমার ২০১৩ সালে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্টোস থেকে বার্সায় এক প্রতিশ্রুতিশীল ফুটবলার হিসাবে যোগদান করেছিলেন এবং ক্যাম্প ন্যুতে বিশ্ব-মানের খেলোয়াড়ের পুরো হোস্টের পাশাপাশি দ্রুত তার সম্ভাবনা অনুযায়ী জীবনযাপন করতে সক্ষম হন।বার্সায় নিজেকে প্রমাণ করতে নেইমির লেগেছিলো মাএ কয়েক ম্যাচ।
ধীরে ধীরে নেইমার হয়ে উঠেন বার্সার অবিচ্ছেদ্য অংশ।স্কিল,ড্রিবলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করা নেইমার বার্সার উচল জয়ে রেখেছেন অসামান্য অবদান।পিএসজির বিপক্ষে নকআউটে পর্বে লাস্ট ৬ মিনিটে ৩ গোলে অবদান রাখা নেইমার সেদিন নতুন করে লিখেছেন বার্সা রুপকথার।নেইমারময় সেই ম্যাচটি শুধু বার্সারই নয় গত দশকে গোটা ফুটবল দুনিয়ার অন্যতম সেরা ম্যাচের খ্যাতি অর্জন করে।সেদিন কাম্প ন্যুতে নেইমির দূর্দান্ত সব পার্ফর্ম্যান্সের স্বাক্ষী ছিলেন পিএসজির কাতারী মালিক নাসের আল খেলাইফিও।উচল জয়ে বিভোর নাসের আল খেলাইফির যেনো নেইমারকে পাওয়া ছাড়া তর সইছেনা।সেইবছরই (২০১৭সালে) গ্রীষ্মকালীন ট্রান্সফারে দলবদলের সব রেকর্ডকে দুমড়েমুচড়ে দিয়ে সারাবিশ্বকে হতবাক করে ২২২ মিলিয়নের রেকর্ড মেগা ট্রান্সফারে বার্সার ভবিষ্যৎ মেসি ও বিশ্বের সেরা ৩ তারকার একজন""নেইমারকে"" দলে ভেড়ায় পিএসজি।নেইমার বার্সা ছাড়ার এক মৌসুম যেতে না যেতেই ফুটবল দুনিয়ায় রিউমার উঠে বার্সায় ফিরতে চান নেইমার,,,,সম্মত বার্সা বোর্ডও।তারপর কয়েকদফায় পিএসজিকে দর হাকালেও নেইমারকে দলে ভেড়াতে ব্যর্থ বার্সা বোর্ড।করোনাভাইরাসের থাবায় থমকে গেছে গোটা বিশ্ব।বন্ধ হয়ে গেছে মাঠের ফুটবল।অনেকেই ধারণা করেছেন আগামী ট্রান্সফার উইন্ডোতেই নেইমারকে দলে ভেড়াবে বার্সা বোর্ড। গত মৌসুমে প্রচেষ্টার কমতি না রাখা বার্সা ব্যর্থ হয় নেইমারকে কাম্প ন্যুতে ফেরাতে। রিউমার ছিলো চলতি মৌসুমে গ্রিজম্যানের সাথে অদলবদলে ক্যাম্প ন্যুতে ফিরে যাওয়ার পদক্ষেপের সাথে যুক্ত রয়েছে নেইমার । এই বছর আহত জুটি সুয়ারেজ ও ওসমান দেম্বলেকে ছাড়াই সেতিয়েনকে শুরু করতে হয়েছে এবং দলবদলের বাজার আবার চালু হলে তার দলকে আরও শক্তিশালী করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। স্প্যানিশ কোচ বলেছেন যে "করোনাভাইরাস মহামারীজনিত সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির কারণে বার্সা নেইমারের পক্ষে মেগা অর্থ খরচ করতে পারবে না"। "তার জন্য ২২২ মিলিয়ন ডলার? না। আমি মনে করি না যে এমন দূর্যোগে ব্যয় করতে পারে এমন কেউ আছেন," সেতিয়েন গ্যাজেটা দেলো স্পোর্টকে বলেন "করোনার সময়ে ছোট ক্লাবগুলির গলাতে জল রয়েছে কারণ তাদের মধ্যে বেশিরভাগ সীমাবদ্ধতা ছিল এবং প্রথম মারাত্মক ঝাঁকুনিতে তারা সঙ্কটে পড়েছিল। ফুটবল একটি অনিয়ন্ত্রিত গতিতে বাস করছে " বছরের পরের দিকে ক্যাম্প ন্যু থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পথে একজন ব্যক্তি আর্থার। গোল.ডটকম রিপোর্ট করেছিলেন যে কোনও সম্ভাব্য স্থানান্তর নিয়ে আলোচনার জন্য জুভেন্টাস বার্সার সাথে যোগাযোগ করেছেন। মিরালেম পিজানিকের সাথে জড়িত একটি স্বদলয় চুক্তি উত্থাপিত হয়েছে, তবে পর্দার আড়ালে যে কোনও চলমান আলোচনার বিষয়ে আলোচনা করতে বলা হলে সেতিয়েন জল্পনা কল্পনা করতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, "আমি আমার ম্যানেজারদের সাথে প্রায়শই কথা বলি এবং এর আগে কেউ আমাকে সম্পর্কে কিছু বলেনি," তিনি বলেছিলেন। "অন্যান্য বিষয়গুলির মধ্যে আর্থার ইতিমধ্যে দু'বার বলেছেন যে তিনি বার্সায় থাকতে চান এবং আমি তাকে পুরোপুরি বুঝতে পারি। তার জায়গায় আমি তার মতোই ভাবব: আমি সেরা দল হওয়ার সুযোগ নিয়ে এই দল ছেড়ে যাব না গোটা দুনিয়া তার পাশে! "পিজানিক আরেকজন দুর্দান্ত খেলোয়াড়, তবে আজ এটির দলবদল সম্পর্কে কথা বলা ঝুঁকিপূর্ণ।"

0 Comments